
আসামের গুয়াহাটিতে টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের টিস ক্যাম্পাসে মহিলা হস্টেলের একটি স্নানঘরে গোপন ক্যামেরা বসানোর অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ক্যামেরাটি উদ্ধার করে এবং তদন্ত শুরু করে।
জানা গেছে, সেদিন সকালে হস্টেলের তৃতীয় তলার একটি স্নানঘরে এক ছাত্রী সাবানের প্যাকেটের ভেতরে লুকানো অবস্থায় ক্যামেরাটি দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জানানো হয় এবং জালুকবাড়ি থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ক্যামেরাটিতে ভিডিও রেকর্ডিং চালু ছিল এবং প্রায় পাঁচ দিন ধরে সেটি সেখানে রাখা হয়ে থাকতে পারে। কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গুয়াহাটি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার নুমল মাহাতো জানান, উদ্ধার হওয়া ক্যামেরাটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে পুলিশের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
এ ঘটনার পর হস্টেলের ছাত্রীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের দাবি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে, বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং হস্টেলে সিসিটিভি নজরদারি বাড়াতে হবে।
ঘটনাটি ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তদন্তের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে পড়ুয়া ও অভিভাবকরা।