
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে। সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না থাকায় প্রসিকিউশনের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম, সঙ্গে ছিলেন মিজানুল ইসলাম ও মোহাম্মদ অলিসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর। শুনানিতে সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় ১৫ দিনের সময় চাওয়া হয় এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীদের কোনো আপত্তি না থাকায় ট্রাইব্যুনাল ১৬ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে গত ২০ আগস্ট এই মামলায় ১২তম সাক্ষী হিসেবে এক শিক্ষার্থী জবানবন্দি দিয়েছিলেন।
আজকের শুনানিকালে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে গ্রেপ্তার দুই আসামি বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও সাবেক মেজর মো. রাফাত বিন আলমকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এই মামলায় পলাতক থাকা অন্য দুই আসামি হলেন ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রামপুরায় সংঘটিত ওই হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চার আসামির বিরুদ্ধে গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল-১।