
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন করে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ নিয়ে এই মুহূর্তে কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করছে না প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। हालেই নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষকের যোগদান, পদায়ন ও প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পাশাপাশি প্রধান শিক্ষক পদে চলমান পদোন্নতি কার্যক্রম পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যালয়গুলোতে প্রকৃত শূন্য পদের সঠিক চিত্র পাওয়া সম্ভব নয়। আর এই সামগ্রিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই কেবল নতুন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক মীর আব্দুল আউয়াল আল মেহেদী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, সদ্য সমাপ্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন এবং ৪ অক্টোবর তাদের পদায়ন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর এই বিশালসংখ্যক শিক্ষককে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠাতে হবে, যা বর্তমানে অধিদপ্তরের প্রধান অগ্রাধিকার। এই নতুন শিক্ষকদের যোগদানের ফলে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষকের সংকট অনেকখানি হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে সহকারী শিক্ষকের সংকট কিছুটা কমলেও প্রধান শিক্ষকের শূন্যতা একটি বড় সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে। সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন যে, দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতার অবসান ঘটিয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সহকারী শিক্ষক এবং প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়াটি পরষ্পর গভীরভাবে সম্পর্কিত হওয়ায়, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি সম্পন্ন হওয়ার পর সহকারী শিক্ষকদের যেসব পদ শূন্য হবে এবং নতুন নিয়োগের মাধ্যমে যে শূন্যতা তৈরি হবে, তার সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়ার পরই নতুন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবনার কথা জানিয়েছে অধিদপ্তর।