
সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর মন্ত্রিসভায় যে রদবদল ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সরকারের বিভিন্ন মহলের সূত্রে জানা গেছে, এটি কেবল একটি প্রাথমিক মূল্যায়ন এবং কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক না হলে আগামীতে মন্ত্রিসভায় আরও পরিবর্তন আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় মন্ত্রীদের কাজের গতিশীলতা, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে কাজের গতি ও কার্যকারিতা নিয়ে সরকারের ভেতরে কিছু অসন্তোষ রয়েছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রণালয়ে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য বা সমন্বয়হীনতা দেখা গেছে, সেগুলোর দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে কিংবা সামনে আরও পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে। ইতোমধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বড় ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। এছাড়া একাধিক বড় দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের কাজের চাপ কমাতে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী সরকার গঠনের শুরু থেকেই ১৮০ দিনের একটি কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন এবং এর সফল বাস্তবায়নে নিয়মিত তদারকি বজায় রেখেছেন। সাম্প্রতিক এই রদবদলকে অনেকে কাজের মূল্যায়নের একটি ধাপ হিসেবে দেখছেন। তবে প্রশাসনিক দক্ষতার ঘাটতি বা বিতর্ক এড়াতে ব্যর্থ হলে আগামী দিনে মন্ত্রিসভায় আরও নতুন মুখ যুক্ত হওয়া কিংবা বর্তমান দায়িত্বশীলদের মধ্য থেকে কাউকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।