
রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সবজি, মাছ, মাংস ও ডিম থেকে শুরু করে চাল ও মুদিপণ্যের বাড়তি দামের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির সংসার চালানো দায় হয়ে উঠেছে। বাজারের এই অসহনীয় পরিস্থিতিতে খেটে খাওয়া মানুষের ত্রাহি অবস্থা তৈরি হয়েছে।
খুচরা ব্যবসায়ীদের মতে, চাহিদার তুলনায় পণ্যের জোগান কম থাকা, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং পাইকারি বাজারে দাম চড়া থাকাই এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ। তবে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিললেও মাছ, মুরগি এবং ডিমের চড়া দাম ক্রেতাদের দুর্ভোগ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ফার্মের লাল ডিমের ডজন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হওয়ায় প্রোটিনের জোগান ধরে রাখতেও হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা। মাছের বাজারে ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছ খুঁজে পাওয়া এক প্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে রুই-কাতলা থেকে শুরু করে চাষের তেলাপিয়া ও পাঙাশের দামও সাধারণের নাগালের বাইরে চলে গেছে। চালের বাজারে নাজিরশাইল ও মিনিকেটের মতো সরু চালের পাশাপাশি পোলাও চালের দামও অনেকখানি চড়েছে। বাজারে কঠোর মনিটরিং এবং সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।