
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুব দ্রুত ভারত সফর করা উচিত বলে জোরালো মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি মনে করেন, দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এবং যেকোনো জটিল সমস্যার কার্যকর সমাধানে শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও সরাসরি আলোচনার বিকল্প নেই। গত রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে ঢাকার বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তাঁর স্ত্রী কেট জারো খানের বাসভবনে আয়োজিত এক নৈশভোজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যকার গভীর ঐতিহাসিক ও মানসিক সম্পর্কের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ কেবল ভৌগোলিক সীমান্তই ভাগাভাগি করে না, বরং উভয় দেশের মানুষ একটি অভিন্ন স্বপ্নও ধারণ করে। দুটি সার্বভৌম দেশ হিসেবে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকা স্বাভাবিক এবং গণতন্ত্রের পথ সবসময় মসৃণ না হলেও আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমেই সব সংকটের সমাধান সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তিনি। দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য, বিতর্ক বা যুক্তি-তর্ক থাকাকে তিনি গণতন্ত্রের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—উভয় নেতাই সরাসরি জনগণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত এবং তাদের লক্ষ্যও প্রায় অভিন্ন বলে মন্তব্য করেন দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, গণমাধ্যমের সামনে তিনি বহুবার বলেছেন যে যখন এমন দূরদর্শী দুই নেতা একসঙ্গে বসে আলোচনা করেন, তখন এমন কোনো জটিল সমস্যা থাকতে পারে না যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমে করা সম্ভব নয়। শীর্ষ নেতৃত্বের এই পারস্পরিক যোগাযোগ দুই দেশের সম্পর্ককে আগামী দিনে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।