
আর মাত্র ১৮ ঘণ্টার অপেক্ষা। এরপরই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া দল ইতিমধ্যে তাদের একাদশ ও স্কোয়াড ঘোষণা করে দিলেও বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে একাদশ চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছে। ইনজুরির কারণে এই সিরিজের ঠিক আগে বড় ধাক্কা খেয়ে পেসার নাহিদ রানাকে হারালেও, লিটন দাস এবং তাইজুল ইসলামের খেলা নিয়ে যে শঙ্কা ছিল তা এখন কেটে গেছে। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেছেন যে লিটন দাস এখন শতভাগ ফিট আছেন এবং তার ফেরায় ব্যাটিংয়ের গভীরতা আরও অনেক বেড়ে গেছে।
দলের কম্বিনেশন নিয়ে অধিনায়ক জানিয়েছেন যে কিছু ছোটখাটো ইনজুরি সমস্যা থাকায় ম্যাচের দিন সকালেই চূড়ান্ত একাদশ নির্ধারণ করা হবে। তবে শেষ কয়েক ম্যাচের ধারাবাহিকতা এবং সাম্প্রতিক প্রস্তুতি ম্যাচের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে বাংলাদেশ দল সম্ভবত দুই স্পিনার এবং তিন পেসারের আক্রমণাত্মক কৌশল নিয়ে মাঠে নামতে পারে। একাদশে দুই স্পিনার হিসেবে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের থাকা একপ্রকার নিশ্চিত। অন্যদিকে পেস আক্রমণে তাসকিন আহমেদ এবং প্রস্তুতি ম্যাচে চার উইকেট শিকার করা হাসান মাহমুদ অটো-চয়েস হিসেবে থাকছেন। পেস বোলিং কোটার তৃতীয় স্থানটির জন্য খালেদ আহমেদ ও এবাদত হোসেনের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকলেও, প্রস্তুতি ম্যাচে তুলনামূলক ভালো করা এবং সাম্প্রতিক ফর্মের বিচারে খালেদ আহমেদের একাদশে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
ব্যাটিং অর্ডারে ওপেনিং পজিশন নিয়ে কিছুটা গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রস্তুতি ম্যাচের দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাদমান ইসলামের ওপরই ভরসা রাখতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। মিডল অর্ডারে যথারীতি অভিজ্ঞ মুমিনুল হক, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম এবং উইকেটরক্ষক ব্যাটার লিটন দাস দলের ইনিংসের মূল ভিত্তি সামলাবেন।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: তানজিদ হাসান, সাদমান ইসলাম, মমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, খালেদ আহমেদ ও হাসান মাহমুদ।