
‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন, ২০২৫’-এর প্রকাশিত প্রতিবেদন গভীরভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ও বাস্তবসম্মত সুপারিশমালা পেশ করার জন্য সাত সদস্যের একটি শক্তিশালী উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে এই কমিটির সভাপতি বা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই কমিটির মূল এবং প্রধান দায়িত্ব হলো জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন ২০২৫-এর পুরো প্রতিবেদনটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা এবং মাঠপর্যায়ে তা সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় সুপারিশমালা প্রণয়ন করে জমা দেওয়া।
গঠিত এই উচ্চপর্যায়ের কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দায়িত্ব পেয়েছেন সরকারের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট মন্ত্রী। কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এছাড়া প্রজ্ঞাপনে অন্যান্য সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞ ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, এমপি।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে আরও একটি বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, এই কমিটি যদি কাজের প্রয়োজনে মনে করে, তবে জুডিশিয়াল পে কমিশন সংক্রান্ত বিষয়ে অত্যন্ত অভিজ্ঞ কিংবা প্রয়োজনীয় মনে করা অন্য যেকোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে কো-অপ্ট বা সদস্য হিসেবে এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।