
নিত্যপণ্যের বাজারে চলমান অস্থিরতার মধ্যেই এবার ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর জন্য সরকারের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করছেন ব্যবসায়ীরা। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে লিটারপ্রতি সয়াবিন তেলের দাম ১০ টাকা বাড়ানোর জোরালো দাবি জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন। এমনকি গত ১১ জুলাই থেকেই এই বর্ধিত দাম কার্যকর করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছিল। প্রস্তাব পাওয়ার দিনই মন্ত্রণালয়ে ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো অনুমোদন দেওয়া হয়নি। পরবর্তী সময়ে আরেকটি বৈঠকের মাধ্যমে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে যে, আন্তর্জাতিক বাজারের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তেলের নতুন দাম নির্ধারণ নিয়ে ইতোমধ্যে চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি চার টাকা বাড়িয়েছিল। ওই সময় এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৯৯ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতল ৯৫৫ টাকা থেকে বেড়ে ৯৭৫ টাকা হয়েছিল। এছাড়া খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও খোলা পাম তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৬৬ টাকাতেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল। তবে বর্তমান প্রস্তাব অনুযায়ী ব্যবসায়ীরা সয়াবিনের পাশাপাশি খোলা পাম তেলের দামও লিটারে ১৭ টাকা পর্যন্ত বাড়াতে চাচ্ছেন।