
আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পরপর দুটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারের পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সংক্ষিপ্ত সফরে মাঠে নামছে ভারত। হারারেতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া এই সিরিজটি কেবল জয়ের ধারায় ফেরার সুযোগই নয়, বরং শ্রেয়াস আয়ারের নেতৃত্বাধীন নতুন দলটির শক্তি ও দুর্বলতা যাচাইয়ের বড় মঞ্চ। দলে সঞ্জু স্যামসন না থাকায় ওপেনিংয়ে তরুণ বৈভব সূর্যবংশীর সামনে নিজেকে প্রমাণ করার সোনালী সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা রিঙ্কু সিং এবং একঝাঁক তরুণ ও গতিময় পেস বোলারকে নিয়ে গঠিত চার সদস্যের পেস আক্রমণ নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্মরণীয় এক ইনিংস খেলা বৈভব সূর্যবংশীর জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শুরুটা অবশ্য খুব একটা সহজ হয়নি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম তিন ম্যাচে তার ব্যাট থেকে যথাক্রমে ১৪, ১৩ ও ১৫ রান আসে। জোফরা আর্চারের শর্ট বলের সামনে কিছুটা সমস্যায় পড়া এই তরুণ ওপেনারকে জিম্বাবুয়েতেও ব্লেসিং মুজারাবানি ও রিচার্ড এনগারাভার পেস সামলাতে হবে। অন্যদিকে, আইপিএল ২০২৬-এর পর অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নেওয়া শ্রেয়াস আয়ারের ওপর চাপ বেশ ভালোই রয়েছে। যদিও অধিনায়ক হিসেবে সাম্প্রতিক সময়টা কঠিন গেলেও ইংল্যান্ড সিরিজে ২১ রান করে ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন আয়ার।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ব্যক্তিগত দুঃখজনক সময় ও আইপিএলের শুরুতে ফর্মহীনতার কারণে দল থেকে ছিটকে পড়া রিঙ্কু সিং এবার দলে ফিরেছেন ফিনিশারের ভূমিকা নিতে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের কোচ অভিষেক নায়ারের পরামর্শে ব্যাটিংয়ের ট্রুগার মুভমেন্টে টেকনিক্যাল পরিবর্তন এনে দারুণভাবে ছন্দে ফিরেছেন তিনি। প্লে অফের লড়াইয়ে দলের হয়ে দুর্দান্ত কিছু ইনিংস খেলা রিঙ্কু এখন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজের সেই পুরোনো ফিনিশিং টাচ দিতে প্রস্তুত। এছাড়া ভারতের বোলিং আক্রমণে মায়ঙ্ক যাদব, অশোক শর্মা এবং যশের মতো উদীয়মান পেসারদের পারফরম্যান্সও বিশেষভাবে নজর কাড়বে, যাদের অনেকেই আইপিএলে ১৫০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বল করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন।