
অন্যদিকে, ইরানের এই ধারাবাহিক হুমকির মাঝেই দেশটির বিভিন্ন কৌশলগত সামরিক স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তুতে টানা নবম রাতের মতো তীব্র বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড বা ‘সেন্টকম’-এর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ, তেলের ট্যাংকার এবং সাধারণ বেসামরিক নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ইরানের সম্ভাব্য হামলার সক্ষমতা পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দিতে এই সামরিক অভিযান চালানো হচ্ছে।
সেন্টকমের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়সীমা মেনে ইরানের বিভিন্ন সামরিক কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় নজরদারি রাডার কেন্দ্র, কৌশলগত নৌ সক্ষমতা, এবং মূল ধারার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এসব বিমান হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘাত এবং পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপে গোটা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও বেশি ঘনীভূত হয়েছে।