
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল জিম্বাবুয়ে সফরে গিয়ে বাড়তি বাউন্সের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। গত সাত মাস ঘরের মাঠে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেললেও জিম্বাবুয়ের কন্ডিশন এবং তাদের দীর্ঘদেহী পেসারদের মোকাবিলা করতে হিমশিম খাচ্ছেন টাইগার ব্যাটাররা। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারের পর বুধবার ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল স্বীকার করেছেন যে, জিম্বাবুয়ের উইকেটের অতিরিক্ত বাউন্সের সঙ্গে এখনো পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারেনি দল।
সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচের আগে আশরাফুল জানান, জিম্বাবুয়ের পেস আক্রমণ বেশ মানসম্মত। বিশেষ করে ব্লেসিং মুজারাবানি এবং রিচার্ড এনগারাভার মতো দীর্ঘদেহী বোলারদের উচ্চতা ও তাদের গতির কারণে ব্যাটারদের জন্য কাজটা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উইকেটগুলোতে বাউন্স অনেক কম থাকে এবং বাউন্ডারির সীমানাও ছোট হয়, কিন্তু জিম্বাবুয়ের বড় বাউন্ডারি ও পিচের বাড়তি বাউন্স ব্যাটারদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তামিম ইকবাল কিংবা সৌম্য সরকারের আউট হওয়া নিয়ে তিনি কিছুটা দুর্ভাগ্যকেই দায়ী করেন, কারণ তাদের শটগুলো ফিল্ডারের হাতে সরাসরি চলে গিয়েছিল।
আশরাফুল অবশ্য আশাবাদী যে, সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতে টাইগার ব্যাটাররা নিজেদের ছন্দে ফিরবেন। তিনি মনে করেন, ভুলগুলো শুধরে নিয়ে পরবর্তী দুটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টিতে দল আগের মতোই পারফরম্যান্স প্রদর্শন করবে। দলের ওপর আস্থা রেখে তিনি বলেন, গত কয়েক মাস যেভাবে বাংলাদেশ দল খেলেছে, তা জিম্বাবুয়েতেও দেখা যাবে। আজ হারারেতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে জয় পেতে মরিয়া বাংলাদেশ। কন্ডিশনের সাথে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াটাই এখন দলের মূল চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন ব্যাটিং কোচ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতে ব্যাটারদের টেকনিক্যাল ও মানসিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট।