
বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্বে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখল ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। গ্রুপ পর্ব ও শেষ বত্রিশে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে চমক দেখানো প্যারাগুয়ের শক্তিশালী রক্ষণভাগ ভেঙে শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় তুলে নিয়েছে ফরাসিরা। ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন দলের প্রধান তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে ছিল ফ্রান্স। পুরো প্রথমার্ধে ফরাসিরা একের পর এক আক্রমণ করলেও প্যারাগুয়ের সুসংহত রক্ষণভাগের সামনে কোনোভাবেই গোলের দেখা পাচ্ছিল না। অন্যদিকে, প্যারাগুয়ে তাদের রক্ষণাত্মক কৌশলে ফ্রান্সের আক্রমণগুলো দারুণভাবে সামলে বিরতিতে গোলশূন্য স্কোরলাইন ধরে রাখে।
দ্বিতীয়ার্ধের মাঝপথে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও মৃদু বিবাদও তৈরি হয়, যা মাঠের উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ৬৯ মিনিটে। ফ্রান্সের দেজিরে দুয়ে প্যারাগুয়ের ডি-বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হলে ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট কিক থেকে গোলরক্ষক অরলান্দো গিলকে বোকা বানিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপ্পে।
যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে এমবাপ্পে ব্যবধান দ্বিগুণ করার আরেকটি সুযোগ পেয়েছিলেন, তবে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষকের দুর্দান্ত তৎপরতায় তা ব্যর্থ হয়। এই গোলটি হলে এমবাপ্পে লিওনেল মেসির বিশ্বকাপে ২০ গোলের রেকর্ডের খুব কাছে পৌঁছে যেতেন। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের স্বস্তির জয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। পরবর্তী লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, যারা এবারের বিশ্বকাপে দারুণ ছন্দে রয়েছে। এমবাপ্পের এই গোল ফ্রান্সকে টুর্নামেন্টের আরও গভীরে নিয়ে গেল, যেখানে লক্ষ্য এখন শিরোপা পুনরোদ্ধার।
প্যারাগুয়ের মতো রক্ষণাত্মক দলের বিপক্ষে ফ্রান্সের এই জয়কে আপনি কীভাবে দেখছেন? কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে লড়াইটি কতটা কঠিন হতে পারে বলে আপনার মনে হয়? আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করুন।