
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মুক্তিপণের দাবিতে ভাতিজাকে অপহরণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় চাচা নুরনবীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার প্রেক্ষাপট: ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর। গোপালপুর উপজেলার নাসির উদ্দিনের নাতি কেএম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে তার চাচা নুরনবী ও তার সহযোগীরা মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করে। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর আরাফের দাদা নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরদিন পুলিশ গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে শিশু আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে।
আদালতের রায়: অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত নুরনবীকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া অপহরণ ও লাশ গুমের ঘটনায় তাকে আলাদাভাবে যথাক্রমে ১৫ ও ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমরাও খান দিপু জানান, তদন্ত শেষে এসআই মামুন ভূঞা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে বিচারক আজ এই চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন।
পরিবারের নিকটাত্মীয়ের হাত দিয়ে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে শোক ও তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল। আদালতের এই রায়ে কিছুটা হলেও ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
আপনার কি মনে হয় এই ধরণের অপরাধ দমনে আইনের এই কঠোর প্রয়োগ অপরাধীদের মনে ভয় জাগাতে কতটা ভূমিকা রাখবে?