
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শুরুতেই ৫২ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফেরা আফ্রিকার দল ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে চরম হতাশাজনক সূচনা করেছে পর্তুগাল ফুটবল দল। এই ম্যাচে পর্তুগিজ অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নিষ্প্রভ ও অকার্যকর পারফরম্যান্স নিয়ে ফুটবল মহলে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ফক্স স্পোর্টসের ম্যাচ-পরবর্তী বিশ্লেষণ অনুষ্ঠানে রোনালদোর এমন পারফরম্যান্সের কঠোর সমালোচনা করেছেন ফ্রান্সের ফুটবল কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি। অঁরির মতে, গোল করার অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তাড়নার কারণে রোনালদো মাঠে এমন কিছু ভুল পজিশন বা অবস্থান নিচ্ছিলেন, যা দলের পক্ষে নতুন সুযোগ তৈরির বদলে পর্তুগালের আক্রমণের গতিকেই ধীর করে দিয়েছে। বিশেষ করে মাঝমাঠের তারকা ব্রুনো ফার্নান্দেসের সঙ্গে রোনালদোর মাঠের সমন্বয়ের অভাব স্পষ্ট ছিল উল্লেখ করে অঁরি বলেন, গোল পাওয়ার নেশায় রোনালদো ব্রুনোর পজিশনে চলে যাচ্ছিলেন, যার ফলে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের জন্য পরিস্থিতি সামলানো অনেক সহজ হয়ে যায়। অঁরি আরও দাবি করেন, ব্রুনো সম্ভবত চেয়েছিলেন রোনালদো নিজে বলের জন্য পেছনে না এসে বল ছেড়ে দিয়ে সামনে দৌড়ানোর মাধ্যমে জায়গা (স্পেস) তৈরি করুন, যাতে অন্য সতীর্থরা আক্রমণের সুযোগ নিতে পারেন। এই ম্যাচে প্রথম পয়েন্ট হারিয়ে পর্তুগাল যেমন বেশ চাপে পড়েছে, তেমনি অঁরির এই যৌক্তিক ও কঠোর বিশ্লেষণ ফুটবল অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
শট অন টার্গেট: পুরো ম্যাচে লক্ষ্যে (অন টার্গেট) একটিও শট নিতে পারেননি তিনি।
শটের সংখ্যা: ম্যাচজুড়ে মোট ৩টি শট নিলেও তার সবগুলোই ছিল লক্ষ্যভ্রষ্ট।
পাসিং রেকর্ড: পুরো ম্যাচে মোট ২১টি পাসের মধ্যে ১৯টি সফলভাবে সম্পন্ন করেন।
আক্রমণাত্মক এলাকায় পাস: প্রতিপক্ষের আক্রমণাত্মক ডি-বক্সের আশপাশে মাত্র ৭টি পাস দেওয়ার চেষ্টা করেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।
ইতিবাচক দিক: ম্যাচের একমাত্র ইতিবাচক দিক ছিল তাঁর দুটি হেড-এ জয় লাভ করা।